1. admin@deshomanusherbarta24.xyz : admin :
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
৪৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মোঃ তুহিন মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন-হারুনর রশীদ মুন্না ১৫ই আগস্ট: ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়-মোঃ আব্দুল মালেক মুন্সি ১৫ ই আগস্ট এর সেইদিন জাতির জন্য ছিল এক কালো অধ্যায়-আব্দুল খালেক মুন্সি ১৫ই আগস্ট বৃষ্টিঝরা শ্রাবণের অন্তিম দিনে সেদিন বৃষ্টি ঝরেনি, ঝরেছিল দেশপ্রেমিকের রক্ত- হারুনর রশীদ মুন্না সর্বসম্মতিক্রমে দ্বিতীয় প্রান্তিক পাস সকল পরিচালকের উপস্থিতিতে সাউথইস্ট ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত এমপি শামীম ওসমানের সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপির সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন-চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব শওকত আলী এমপি শামীম ওসমানের সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপির সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন- মোঃ আনোয়ার হোসেন এমপি শামীম ওসমানের সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপির সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন-মেম্বার মোঃ আলাউদ্দিন হাওলাদার এমপি শামীম ওসমানের সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপির সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন-মোঃ আব্দুল মালেক মুন্সি এমপি শামীম ওসমানের সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপির সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন-মোঃ আব্দুল খালেক মুন্সি

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শহিদুলের স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে দাঁড়ালেন মীর হোসেন মিরু

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৬ Time View

মোকলেছুর রহমান তোতাঃ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শহিদুলের স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে দাঁড়ালেন কুতুবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো: মীর হোসেন মিরু।
সোমবার বাদ যোহর পাগলা রেলষ্টেশন এলাকায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শহিদুলের স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি টং দোকান ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য নগদ অর্থ তুলে দেন হাজী মো: মীর হোসেন মিরু।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শহিদুল স্ত্রীকে সংগে নিয়ে কখনো ট্রেনে, কখনো বাসে, কখনো হাটে বাজারে আবার কখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে পরিবারের সন্তান সন্ততিদের মুখে দুইবেলা দুইমুঠো খাবার তুলে দিতেন আর স্বপ্ন দেখতেন তার বড় ছেলে রাকিবুল ইসলাম ও মেঝো মেয়ে শুর্মিলাকে নিয়ে।নিজে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও তার স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়া তাই তিনি তার বড় দুই সন্তানকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য স্ত্রীকে নিয়ে শহিদুলের পথ চলা ছিল সুকান্তের রানারের মত। বড় ছেলে রাকিবুল ইসলাম তোলারাম কলেজে বি এ পড়ছে মেঝো মেয়ে শুর্মিলাও একই কলেজে আই এ”র ছাত্রী। তার অন্য দুই সন্তান আলামিন ও মিম এখনো অনেক ছোট। কিন্তু করোনা কালীন সময়ে দেশে লকডাউনে প্রতিবন্ধী শহিদুলের পরিবারে চরম অভাব অনটন দেখা দেয়, সরকারি ত্রান সহায়তা যা পেয়েছে তা দিয়ে কোনমতে চললেও ছেলেমেয়ের পড়াশুনার খরচ চালাতে গিয়ে যখন হিমসিম খাচ্ছিলেন তখন মিরুর দ্বারস্থ হন। মিরুর নিকট তুলে ধরেন তার স্বপ্নের কথা। মানবিক মীর হোসেন মিরু শহিদুলের ছেলেমেয়েরা যেনো আলোকিত মানুষ হয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বাবার মুখে হাসি ফোটাতে পারেন সেলক্ষ্যে শহিদুলকে একটি টং দোকান ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য নগদ অর্থ তুলে দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© দেশ ও মানুষের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত ©
নির্মাণ করেছেন WooHostBD
Theme Customized BY WooHostBD